আমড়ার পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

Share on:

আমড়ার পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

আমড়ার পুষ্টি ও ঔষধি গুণ
আমড়ার পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

পুষ্টিতে ভরপুর আমড়া একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় দেশীয় ফল। আমড়াতে রয়েছে আপেলের চাইতে  বেশী প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এছাড়া আমাদের দেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ভিটামিন সি রয়েছে । আমড়ার উপকারিতা ও গুণাগুণ আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আমড়া আমাদের সকলের নিকট প্রিয় একটি ফল। আমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য পরিমাণে প্রোটিন, পেকটিন জাতীয় ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। আসুন জেনে নেই আমড়ার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে-

আমড়ার পুষ্টি ও ঔষধি গুণ:

  • বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ রাখে।
  • আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয় এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।
  • ঠাণ্ডা, কাশি ও কফ দূর করে।
  • রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে
  • স্ট্রোক ও হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
  • দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে
  • শরীরের পেশী গঠনে সহায়তা করে।
  • ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখতে আমড়া বেশ সাহায্য করে।
  • যারা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্য আমড়া খুবই উপকারী।
  • রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
  • আমড়া খেলে অরুচিভাব দূর হয়।
  • মুখে রুচি ফিরে আসে, ক্ষুধা বৃদ্ধি করে।
  • ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ
  • স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
  • ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
  • হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।

পুষ্টিগুণে ভরপুর টক-মিষ্টি স্বাদের জনপ্রিয় দেশি ফল আমড়া। কাঁচা আমড়া কাঁচা তো খাওয়া যায়-ই, আবার রান্না করেও খাওয়া যায়। পাকা আমড়াও আচার, মোরব্বা, সালাদ, চাটনি তৈরিতে ব্যবহার হয়। মুখরোচক ফল হিসেবে একটি আমড়ায় প্রায় তিনটি আপেলের সমান পুষ্টি থাকে। বর্তমানে বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শরীরের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। রোগ প্রতিরোধে দামে সস্তা দেশি ফল আমড়ার জুড়ি নেই। আমড়া ভিটামিন ‘সি’-এর ভালো উৎস। ভিটামিন ‘সি’ একটি অত্যাবশ্যকীয় ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত আমড়া খেলে বিভিন্ন অসুখ থেকে দূরে থাকা যায়।

আমড়ার পুষ্টিগুণ:   

১০০ গ্রাম আমড়া খেলে তা থেকে ১ দশমিক ১ গ্রাম প্রোটিন, ১৫ গ্রাম শ্বেতসার, শূন্য দশমিক ১০ গ্রাম স্নেহ জাতীয় পদার্থ এবং ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন পাওয়া যায়। এ ছাড়াও ভিটামিনের মধ্যে ০.২৮ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০৪ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও রয়েছে ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ৩.৯ মিলিগ্রাম লৌহ। আমড়ার খাদ্যশক্তি ৬৬ কিলোক্যালোরি। খনিজ পদার্থ বা মিনারেলসের পরিমাণ ০.৬ গ্রাম।

মেডিকেলবিডি/আরএম/ ৭ জুন, ২০২১

Make an appointment

Fill out the form below and we’ll respond within 24 hours.