পায়ের গোড়ালীর ব্যথা চিকিৎসা ও পূর্ণবাসন

পা মানব শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন অংঙ্গ। যার পা নেই সেই বুঝে পায়ের মর্মকথা।আর যাদের পা থেকেও সঠিকভাবে হাটা-চলাফেরা করতে পারছেন না বা ভূগছেন পায়ের গোড়ালীর ব্যথায় তাদের পায়ের গোড়ালীর নানাবিধ সমস্যা চিকিৎসা ও পূর্ণবাসন নিয়ে আলোকপাত করা হল ঃপা মানব শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন অংঙ্গ। যার পা নেই সেই বুঝে পায়ের মর্মকথা।আর যাদের পা থেকেও সঠিকভাবে হাটা-চলাফেরা করতে পারছেন না বা ভূগছেন পায়ের গোড়ালীর ব্যথায় তাদের পায়ের গোড়ালীর নানাবিধ সমস্যা চিকিৎসা ও পূর্ণবাসন নিয়ে আলোকপাত করা হল ঃ

সোহেলী রহমান একটি বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তা। দীর্ঘ দিন কোমর ব্যথায় ভুগেছিলেন নিয়মিত ফিজিও নিয়ে এবং চিকিৎসকের নিদের্শমত ব্যায়াম করে ভালই ছিলেন । কিন্তু ইদানিং ঘুম থেকে উঠে ফ্লোরে পা রাখতেই পায়ের তলায় র্তীব ব্যথা হয়।আবার অনেকক্ষন চেয়ারে বসে থাকার পর উঠে দাড়াতেই পায়ের তলায় তীব্র ব্যথা হয়। একটু হাটা হাটি করলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে।

সোহেলী রহমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ে জানতে পারলেন উনার প্লান্টার ফ্যাসাইটিস হয়েছে।
মানব দেহে পায়ের গোড়ালীতে যেসব কারনে ব্যথা হয় তার মধ্যে প্লান্টার ফ্যাসাইটিসই বেশী দায়ী। দীর্ঘদিন এই সমস্যা চলতে থাকলে পায়ের তলায় স্পার বা কাটার মত হাড় বৃদ্ধি হয় তাকে ডাক্তারী ভাষায় ক্যালকেনিয়াল স্পার বলা হয়।তাছাড়া পায়ে হাড় ভেঙ্গে গেলে ব্যথা হয়, গেটেবাত, ওস্টিওমাইলাইটিস, স্পন্ডাইলো অর্থোপ্যাথি, বার্সাটিস, টেনডিনাইটিস, পায়ের গঠনগত ভূল ইত্যাদি রোগে পায়ের গোড়ালীতে ব্যথা হতে পারে।

 

লক্ষণ ঃ১. পায়ের গোড়ালীতে ব্যথা হবে। সাধারনত হাটলে সেটা আরও বেড়ে যায়।২. গোড়ালী কখনো কখনো ফুলে যেতে পারে।৩. খালি পায়ে শক্ত জায়গায় হাটলে সাধারনত ব্যথা বেশি বাড়ে।৪. পায়ের গোড়ালীতে ব্যথা সকালে বেশি থাকে এবং তা বেলা বাড়ার সাথে সাথে একটু কমে আসে।৫. অনেক্ষণ এক জায়গায় বসার পর পা ফেলতে কষ্ট হয়।৬. কখনো কখনো গোড়ালী শক্ত মনে হয়।৭. আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে ও গরম অনুভব হয়।৮. পায়ের পাতা একটু অবশ বা প্যারালাইসিস ভাব হয়।
চিকিৎসা ঃরোগ নির্ণয় জরুরী, সর্ঠিক চিকিৎসার প্রথম শর্ত সর্ঠিক রোগ নির্ণয়।ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত কার্যকরী নিরাপদ চিকিৎসা , তা হতে হবে সঠিক ও বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের তত্তাবধানে।
জুতার পরির্বতন যেমন- নরম সোল ব্যবহার করা, হিল কূসন ব্যবহার, আর্চ সার্পোট দেয়া, গোড়ালির কাছে ছিদ্র করে নেয়া ইত্যাদি।শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে। ক্যালকেনিয়ান স্পার হলে কখনই অপারেশন করানো উচিত হবে না। নরম সোল এর জুতা ব্যবহার করবেন। চিকিৎসকের নির্দেশমত পায়ের ব্যায়াম নিয়মিত করবেন। প্রত্যহ ১০ মিনিট কুসুম গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 5 =